| |
| রাংগামাটি সদরে " মব সৃষ্টি করে মনিকা আাক্তারের বাড়ি দখলের চেষ্টা, |
| |
|
|
|
|
|
|
|
| |
| |
|
| |
| |
| রাংগামাটি প্রতিনিধিঃ ২৬ মে সোমবার রাঙামাটি সদরের কলেজগেট এরিয়াধীন আমানত বাগের বাসিন্দা ও বিগত উপজেলা নির্বাচনের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ( যার প্রাপ্ত ভোট প্রায় ৫০০০ হাজার)তাকে মব সৃষ্টি করে কথিত ওয়ারিশ সাজিয়ে মহিলা দলের নেত্রী পারুলীর নেতৃত্বে ও স্থানীয় ছাত্র দলের কথিত নেতা সুজন,সুমন, বিএনপি নেতা বাচচু ও জহির এর আয়োজনে বিভিন্ন স্থান থেকে বিপুল সংখ্যক সন্ত্রাসী জড়ো করে মব সৃষ্টি করে বাড়ি দখলের চেষ্টা করা হয়। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, মনিকা আাক্তার ২০১২ সাল থেকে পরিবার পরিজন সহ আমানত বাগের ৬১৫ নং পৌর হোল্ডিং এর বাড়িতে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন। তথ্য অনুযায়ী এ বাড়িটির হালনাগাদ পৌর কর মনিকা আক্তারের নামে এবং অন্যান্য সকল কাগজপত্রও মনিকার নামে। তবে গত ২৬ তারিখ সকাল ৯ টার দিকে ঢাকার সাভার নিবাসী সেলী নামের এক মহিলা বাড়ির গেটের ভিতর ঢুকে নিজেকে উক্ত বাড়ীর ওয়ারিশ বলে পরিচয় দেয় এবং বাচাও, বাচাও বলে চিৎকার চেচামেচি শুরু করলে মুহূর্তেই কয়েকশ লোক জড়ো হয়ে মব সৃষ্টি করে, অবস্থার দৃষ্টিতে বুজা যায় যে ঘটনাটি ছিল পূর্ব পরিকল্পিত। হুট করে এত লোকের আগমন দেখে শিশু সন্তান সহ ভুক্তভোগী মনিকা আক্তার ভয়ে হতবিহ্বল হয়ে পরে।পরবর্তীতে নিজেদের বাঁচাতে ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে পুলিশের সহায়তা চাইলে পুলিশ এসে মনিকা আক্তার ও তার সন্তানদেরকে উদ্ধার করে। পুলিশের উপস্থিতিতেই উক্ত মব সৃষ্টিকারী লোকজন সাংবাদিক মনিকা আক্তার কে মারধর করতে সচেষ্ট হয়, কিন্তু পুলিশের কার্যকর পদক্ষেপ এর কারণে বড় ধরনের কোন দূর্ঘটনা ঘটেনি। এ বিষয়ে জানতে রাঙ্গামাটি কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)সাথে কথা বললে তিনি জানান যে, অবস্থা আরও ভয়াবহ হতে পারত, বিষয়টি উপলব্ধি করতে পেরে আমি তাৎক্ষণিক পোশাকধারী ও সাদা পোশাকের পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি সামলে নিয়েছি। অনুসন্ধানে জানা যায়, মনিকা আক্তারের সাবেক স্বামী মোস্তাফিজুর রহমান কৃষক লীগের দপ্তর সম্পাদক ছিলেন সে সুবাদে সেও আওয়ামী নেত্রী ছিলেন কিন্তু ২০২১ সালে তার সাথে ছাড়াছাড়ি হয়ে যাবার পরে,পরবর্তী সময়ে রাঙ্গামাটি জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ফারুক আহমেদ সাব্বির এর সাথে বিয়ে হয়।এরপর সে আওয়ামী লীগ ছেড়ে দেয় এবং বিএনপির সাথে যোগাযোগ সৃষ্টি হয়। তবে সক্রিয় রাজনীতি ছেড়ে দেন। এ বিষয়ে মনিকা আক্তারের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান যে, গত ২০২১ সাল থেকে আমি আওয়ামীগের রাজনীতি ছেড়ে দেই।পরবর্তী সময়ে আমি আর রাজনীতি তে জড়াইনি। তবে সাব্বিরের সাথে বিয়ের সুবাদে বিএনপির কিছু কিছু প্রোগ্রামে অংশ নেই।সর্বশেষ বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন এর সময় আমি ডেমরা `ল` কলেজে পড়ার কারণ শনির আখড়া, সাইনবোর্ড এলাকায় সরাসরি অংশ নেই এই আন্দোলনে। তার এ বক্তব্যের স্বপক্ষে কতিপয় ভিডিও ফুটেজ দেখান। অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, মনিকা আক্তার আওয়ামী সরকারের সময় অনেক মামলার আসামী হয়। এমনকি ছাত্র দল সভাপতির সাথেও মামলার আসামী করা হয়। ভুক্তভোগী মনিকা আক্তার জানান যে,হামলাকারী্রা পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে আমার উপর অতর্কিত হামলার চালান।হামলার সময়ে এরা আমার বাড়ীতে ব্যাপক লুটপাট করেন, মটর সাইকেল, জেনারেটর সহ অনেক মালামাল নিয়ে যায়। এমনকি হামলাকারীরা বিদ্যুৎ সংযোগ ও বিচ্ছিন্ন করে দেয়। সরে জমিনের অনুসন্ধানে বিভিন্ন পর্যায়ে থেকে প্রাপ্ত তথ্যে সূএে জানা যায়, মনিকা আক্তার একজন গণমাধ্যমকর্মী এবং বিকশিত ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ নামের একটি মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানের পরিচালক। একটি দুর্বৃত্ত চক্র বাড়ি দখলের চেষ্টা হিসেবে এই মবের তথা হামলার আয়োজন করে এমনকি মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। এভাবে একজন নারী গণমাধ্যম কর্মীকে হেনস্তা করাকে মানবাধিকার লংঘন বলে মনে করে অনেকেই নিন্দা জানান এবং গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন,সেই সাথে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনের ব্যবস্থা নিতে দাবী জানিয়েছেন স্থানীয় সাধারণ জনতা সহ বিভিন্ন স্তরের সাংবাদিক ও মানবাধিকার কমিশনের নেতৃবৃন্দ।
|
| |
|
|
|